শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর



বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরের অবস্থানঃ

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরটি ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত। এটি বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর নামেও পরিচিত। ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত নভোথিয়েটারের পশ্চিম পাশে এই যাদুঘরটির অবস্থান। জাদুঘরটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। এই যাদুঘরটিতে বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জাম নিদর্শন প্রদর্শিত হয়, যা দর্শকদের দেশের সামরিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।

যাদুঘরটি পরিদর্শণের সময় সূচী ঃ

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর সাধারণত শনি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে এবং বুধবার বন্ধ থাকে। এছাড়াও, সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও জাদুঘর বন্ধ থাকে।

জাদুঘর পরিদর্শনের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা (বুধবার শুক্রবার বাদে)
  • বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (বুধবার বাদে)

 

যাদুঘরে প্রবেশের টিকেট মূল্য ঃ

জাদুঘরে প্রবেশ করতে হলে টিকেট কাটতে হয়। বাংলাদেশী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকেটর দাম ১০০ টাকা,

সার্কভূক্ত দেশগুলির দর্শনার্থীদের জন্য জন প্রতি ৩০০ টাকা এ্বং অন্যান্য দেশগুলির দর্শনার্থীর জন্য জন প্রতি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রবেশ ফ্রি। আপনি চাইলে অনলাইনেও টিকেট কাটতে পারেন।

 

সামরিক যাদুঘরে কি কি দেখবেন ঃ

জাদুঘরের ভিতরে আপনি বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম, যেমন - অস্ত্র, যুদ্ধাস্ত্র, এবং সামরিক যান দেখতে পাবেন। এছাড়াও, এখানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর অবদান সম্পর্কে জানতে পারবেন।

 

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরে আপনি বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম নিদর্শন দেখতে পাবেন, যা দেশের সামরিক ইতিহাস ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে। এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য জিনিস সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

  • সামরিক যান: এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের সামরিক যান দেখতে পাবেন, যেমন - ট্যাংক, সামরিক ট্রাক, জিপ ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে কিছু যান মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • অস্ত্র গোলাবারুদ: জাদুঘরে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ঐতিহাসিক অস্ত্র গোলাবারুদ প্রদর্শিত আছে। এর মধ্যে রয়েছে রাইফেল, মেশিনগান, কামান, এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র।
  • সামরিক পোশাক সরঞ্জাম: এখানে বিভিন্ন সময়কালের সামরিক পোশাক সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়, যা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহৃত হত।
  • মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস: জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কিত বিভিন্ন নিদর্শন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ছবি, দলিল, এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র দেখা যায়।
  • বঙ্গবন্ধু কর্নার: এখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামরিক জীবন অবদান সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ছবি প্রদর্শিত আছে।

এছাড়াও, জাদুঘরে আরও অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন তথ্য রয়েছে যা আপনাকে বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

 

সামরিক যাদুঘরে ঘুরতে এসে কি খাবেনঃ

বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরে ঘোরার পাশাপাশি সেখানে কিছু খাওয়ারও সুযোগ রয়েছে। জাদুঘরের ভেতরেই একটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে, যেখানে আপনি হালকা খাবার পানীয় পেতে পারেন। এখানে কিছু সাধারণ খাবারের উদাহরণ দেওয়া হলো:

  • স্ন্যাকস: বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস যেমন - স্যান্ডউইচ, রোল, সমুচা, পেটিস ইত্যাদি পাওয়া যায়।
  • পানীয়: চা, কফি, কোমল পানীয়, এবং মিনারেল ওয়াটার এর ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়াও, জাদুঘরের আশেপাশে অনেক রেস্টুরেন্ট ফাস্ট ফুডের দোকান রয়েছে, যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের খাবার উপভোগ করতে পারেন। আপনার পছন্দ অনুযায়ী, আপনি এই দোকানগুলো থেকে আপনার খাবার বেছে নিতে পারেন।

জাদুঘরের ভেতরে খাবার পানীয় নিয়ে যাওয়া সাধারণত নিষেধ। তবে, আপনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে যেতে পারেন।

 

এই সামরিক যাদুঘর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-

https://www.youtube.com/@TravelFamilybd

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

পশুর নদীর ইতিহাস ঐতিহ্য ও গুরুত্ব

  পশুর নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও বাগেরহাট জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৪২ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কিলোমিটা...