সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫

চন্দ্রিমা/জিয়া উদ্যানের অজানা ইতিহাস


 

চন্দ্রিমা/জিয়া উদ্যানের ইতিহাস

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যান বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিস্তম্ভ। এই উদ্যানটি শুধুমাত্র একটি সবুজ স্থান নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অংশও বহন করে।

সর্বপ্রথম এই উদ্যানটির নাম ছিল চন্দ্রিমা উদ্যান, এই নামটি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতবাদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন এই স্থানটিতে চন্দ্রিমা নামের একজনে বাড়ি ছিল এখানে, এই চন্দ্রিমা নাম থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানের নামকরণ করা হয়েছে।

আবার অনেকের মুখে সেনা যায় এই উদ্যানটির দক্ষিণ পাশে ক্রিসেন্ট লেকটি অর্ধচন্দ্রের মত করে তৈরি করা হয়েছে বলে এই লেককে প্রাধান্য দিয়ে প্রক্তন রাষ্ট্রপতি হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ এই উদ্যানটির নাম দিয়েছে চন্দিমা উদ্যান।

 



চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে জিয়া উদ্যান: প্রথমে এই উদ্যানটি চন্দ্রিমা উদ্যান নামে পরিচিত ছিল। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে এখানে সমাহিত করা হয়। এরপর থেকে এই স্থানটির নাম পরিবর্তন করে জিয়া উদ্যান করা হয়।

  • ক্ষমতার পালাবদল এবং নাম পরিবর্তন: বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওঠা-নামার সাথে সাথে এই উদ্যানের নামও বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। বিভিন্ন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই উদ্যানের নাম চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে জিয়া উদ্যান এবং আবার জিয়া উদ্যান থেকে চন্দ্রিমা উদ্যান রাখা হয়েছে। বর্তমানে এই উদ্যানটি জিয়া উদ্যান নামে রয়েছে।
  • দর্শনীয় স্থানে রূপান্তর: জিয়াউর রহমানকে সমাহিত করার পর থেকে এই স্থানটিকে দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম একটি স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এখানে একটি সুন্দর বাগান, হ্রদ এবং একটি আধুনিক সেতু রয়েছে।
  • রাজনৈতিক গুরুত্ব: জিয়া উদ্যান শুধুমাত্র একটি উদ্যান নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকদের কাছে এই স্থানটি অত্যন্ত পবিত্র।




কেন জিয়া উদ্যান গুরুত্বপূর্ণ?

  • ইতিহাসের সাক্ষী: জিয়া উদ্যান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।
  • ধর্মীয় অনুভূতি: বিএনপি সমর্থকদের জন্য এই স্থানটি একটি ধর্মীয় অনুভূতি জাগায়।
  • সামাজিক কেন্দ্র: এই উদ্যানটি শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি একটি সামাজিক কেন্দ্রও।
  • দর্শনীয় স্থান: ঢাকার একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান।

কিছু তথ্য

  • অবস্থান: ঢাকার শেরেবাংলা নগর।
  • নামকরণ: জিয়াউর রহমানের নামানুসারে।
  • মূল ব্যবহার: আগে চাষাবাদ এবং গবাদিপশুর খামার।
  • বর্তমান ব্যবহার: উদ্যান, সমাধিস্থল, দর্শনীয় স্থান।

আপনি কি জিয়া উদ্যান সম্পর্কে আরো কিছু জানতে চান?

  • আপনি জিয়াউর রহমানের জীবনী সম্পর্কে জানতে চাইলে আমাকে বলুন।
  • এই উদ্যানের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে আমাকে বলুন।
  • এই উদ্যানে যাওয়ার নির্দেশনা চাইলে আমাকে বলুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

পশুর নদীর ইতিহাস ঐতিহ্য ও গুরুত্ব

  পশুর নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও বাগেরহাট জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৪২ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কিলোমিটা...